৭৪ বছর বয়সে যমজ সন্তানের মা হলেন অন্ধ্রের মহিলা, গড়লেন বিশ্বরেকর্ড।

Last modified date

Comments: 0

oldest mother

গুন্টুর – দুনিয়ার সবথেকে বেশি বয়সে মা হয়ে নজির গড়লেন অন্ধ্রপ্রদেশের এক মহিলা। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের গুনটুরের একটি হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বের সবথেকে বেশি বয়সে মা হওয়ার নজির গড়লেন এই মহিলা।

মঙ্গয়াম্মা নামের ওই মহিলা IVF পদ্ধতির মাধ্যমে গর্ভধারণ করার পর গতকাল গুন্টুরের অহল্যা নার্সিং হোমে জমজ সন্তানের জন্ম দেন। চারজন ডাক্তারের একটি দল অস্ত্রপ্রচার করেন। এই ডাক্তারের দলের প্রধান, এস.উমাশঙ্কর অস্ত্রপ্রচারের পর জানান মা ও দুই সন্তান দুজনেই সুস্থ আছেন। “এটা চিকিৎসা জগতের একটি অলৌকিক ঘটনা “- অস্ত্রপ্রচারের পর বলেন ডঃ এস.উমাশঙ্কর ।

এর আগে ,২০১৬ সালে ৭০ বছর বয়সে মা হওয়ার নজির গড়েছিলেন হরিয়ানার দলজিন্দার কৌর। তিনিও IVF পদ্ধতির সাহায্যে গর্ভধারণ করেছিলেন ও একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন।

অন্ধ্রপ্রদেশের গোদাভরি জেলার নেলাপার্টিপদুর বাসিন্দা মঙ্গয়াম্মা বিয়ের ৫৪ বছর পর পর্যন্ত সন্তানহীন ছিলেন। গত বছর তিনি ও তাঁর স্বামী ওয়াই.রাজা রাও একজন IVF বিশেষজ্ঞের কাছে যান। তাঁরই সহয়তায় অবশেষে এই দম্পতি সন্তানের পিতা-মাতা হবার সৌভাগ্য অর্জন করলেন।

“আমি খুব খুশি, ভগবান আমাদের প্রার্থনা শুনেছেন”- প্রসবের বলেন আনন্দের সাথে একথা বলেন মঙ্গয়াম্মা । তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকেরা আনন্দের সাথে মিষ্টি বিলি করেন।

ডঃ এস.উমাশঙ্কর বলেন তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মঙ্গয়াম্মা-এর নানাবিধ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। তারপর তাঁরা দেখেন যে ওই মহিলা গর্ভধারণ করার জন্যে উপযুক্ত। মঙ্গয়াম্মা IVF পদ্ধতির প্রথম চক্রেই গর্ভধারণ করেন। তিনটি দলও গঠন করা হয় ওই মহিলার স্বাস্থ্য,পুষ্টি, হৃদস্বাস্থের ওপর লক্ষ্য রাখার জন্যে। দশজন ডাক্তার নয়মাস ধরে নিয়মিত নজর রাখতেন ওই মহিলার স্বাস্থের ওপর।

গতমাসে ওই দম্পতি তাঁদের সামাজিক প্রথা অনুযায়ী ‘সিমান্থম’ অনুষ্ঠান করতে চান, যা কিনা আটমাসের গর্ভধারণের পর করা হয়, কিন্তু ডাক্তার তাঁদের একমাসের জন্যে অপেক্ষা করতে বলেন। অবশেষে অস্ত্রপ্রচারের কয়েক ঘণ্টা আগে ওই নার্সিং হোমের চত্বরেই ওই অনুষ্ঠান পালন করা হয়।

ডঃ এস.উমাশঙ্কর বলেন ,মা ও দুই সন্তানকে এখন কয়েকদিনের জন্যে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

Guest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Post comment